রাজনীতি

দেড় বছরের শ্বাসরুদ্ধকর চাপ শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস: নতুন সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে আশাবাদী রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, দেড় বছরের ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ সময় পার করার পর তিনি এখন সম্পূর্ণ চাপমুক্ত ও ভারমুক্ত। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর তার এই স্বস্তির অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি তার বিগত দেড় বছরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এখন আমি সম্পূর্ণ চাপমুক্ত ও ভারমুক্ত। দেড় বছর ধরে আমার মাথায় একটাই চিন্তা ছিল, কীভাবে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করব, কীভাবে বঙ্গভবনকে নিরাপদ রাখব। সেই চাপ এখন পুরোপুরি চলে গেছে।” রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার ব্যক্তিগত অনুভূতিকে প্রতিফলিত করে, যা পরোক্ষভাবে জাতীয় স্থিতিশীলতা রক্ষায় তার ভূমিকার গুরুত্ব বোঝায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জানান, নির্বাচন ভালো হয়েছে এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, যা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করেছে।

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি তার পর্যবেক্ষণের কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমার তো খুব অল্প সময় তাকে দেখা। টুকটাক কিছু কথা হয়েছে। দেখলাম যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি উনার মধ্যে আছে। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। এই কদিনের যে কার্যক্রম, তাতে আশাবাদী হওয়া যায়, বিশেষ করে উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে। তাই দেশের ভালো করবেন তিনি, এই বিশ্বাস রাখি।” রাষ্ট্রপতি আরও যোগ করেন, “তার বাবা ছিলেন রাষ্ট্রপতি, মা ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আমি বিশ্বাস করি না যে আমরা কোনো নতুন দুর্যোগে পড়ব।”

রাষ্ট্রপতির এই আশাবাদ দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নবগঠিত সরকারের কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা জাগাতে পারে। দেশের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে তারেক রহমানকে ‘আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার’ কামনা করে তিনি দেশের শান্তি ও অগ্রগতির প্রতি তার বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন, যা আগামীর জন্য এক ধরনের ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button