জ্বালানি তেল মজুত: ধরা পড়ছে রাঘববোয়ালরা, বাড়ছে জনভোগান্তি!

দেশে জ্বালানি তেল মজুতের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা নানা উপায়ে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে এবং মজুতদারদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
সম্প্রতি শেরপুর, জামালপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং গাজীপুরের কাপাসিয়ায় জ্বালানি তেল মজুত ও বেশি দামে বিক্রির দায়ে একাধিক ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শেরপুরে আবাসিক ভবনের নিচে ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুত করার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জামালপুরে অবৈধভাবে মজুত করা তিন হাজার ১০ লিটার পেট্রোল কালোবাজারে বিক্রির সময় জব্দ এবং ১১ জন কালোবাজারীকে আটক করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় পেট্রোল ও ডিজেলের কৃত্রিম সংকট এড়াতে সাধারণ গ্রাহকদের অতিরিক্ত কেনাকাটা ও মজুতের প্রবণতা বেড়েছে, যা সরবরাহকে চ্যালেঞ্জ করছে। গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধভাবে তেল মজুত ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে পাঁচ দিন করে কারাদণ্ড এবং আড়াই হাজার লিটার পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও কিছু এলাকায় এখনও অসৎ ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটছে এবং ভোগান্তি বাড়ছে। প্রশাসন জানিয়েছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার সুযোগ রোধে এই ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।





