ঈদের দিনেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি: উৎসব কেমন কাটবে?

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে এই ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে, যা মানুষের ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলবে।
শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঈদের দিন শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি, কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জনতা টাইমসকে জানান, ঈদের দিন বৃষ্টির প্রস্তুতি নিয়েই বাইরে বের হতে হবে। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ আরও বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বলেছেন, ঈদের দিন দেশের ওপর দিয়ে দুই দফা —সকালের দিকে একবার এবং সন্ধ্যার পর আরেকবার— শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, তীব্র বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। ঈদের দিন ঢাকা শহরের ওপর দিয়েও কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়েছে। ঈদের পরের দু’দিন অর্থাৎ রবি ও সোমবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
এমন পূর্বাভাস ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে। ঈদের নামাজ, প্রিয়জনদের বাড়ি যাওয়া বা ঘুরতে বের হওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উৎসবের আনন্দ বৃষ্টির কারণে কতটা ব্যাহত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও অপেক্ষা।





